English 01711-482191

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা · এ থেকে পি ব্লক ও এক্সটেনশন

বসুন্ধরায় প্লট বিক্রি করুন: এ ব্লক থেকে পি এক্সটেনশন, যাচাই করা ক্রেতার কাছে

প্লট কেনাবেচায় আমাদের অভিজ্ঞতা 2010 সাল থেকে। বসুন্ধরায় প্লট কেনার মতো উপযুক্ত ক্রেতা আমাদের হাতে আছে।

আপনার ব্লকের আস্কিং প্রাইস দেখুন

ব্লক আর সাইজ বেছে নিলে এই বাক্সেই ওই ব্লকের আস্কিং প্রাইস দেখাবে। নাম-নম্বর দিয়ে পাঠালে WhatsApp-এ আপনার প্লটের দাম নিয়ে কথা হবে।

আমি
যা চাই
যে WhatsApp থেকে পাঠাবেন, সেই নম্বর আমরা এমনিই পাই।

WhatsApp খুলবে, বার্তাটি লেখা থাকবে; সেখানে পাঠানোর বোতাম (Send) চাপুন। আমরা অফিস সময়ে (শনি–বৃহস্পতি, সকাল 10টা–সন্ধ্যা 6টা, বাংলাদেশ সময়) WhatsApp-এ উত্তর দিই। আপনার নম্বর কোথাও প্রকাশ হয় না। গোপনীয়তা নীতি

অথবা কল করুন 01711-482191
  • প্লট দেখাই শুধু যাচাই করা ক্রেতাকে
  • আপনার নম্বর আমাদের কাছেই থাকে, কেউ পান না; বিজ্ঞাপনে প্লট নম্বর দিই না
  • ব্লক আর সাইজ বাছলেই এই পাতায় আস্কিং প্রাইসের হিসাব দেখুন

অফিস: বাড়ি 13, রোড 305, সেক্টর 24, পূর্বাচল নতুন শহর, ঢাকা
শনি–বৃহস্পতি, সকাল 10টা–সন্ধ্যা 6টা · Google Maps-এ অফিস ও রিভিউ দেখুন
আমরা স্বাধীন এজেন্সি; বসুন্ধরা গ্রুপ, রাজউক বা কোনো সরকারি সংস্থার সাথে যুক্ত নই।

  • 2010 সাল থেকেপ্লট কেনাবেচায় মধ্যস্থতা করছি
  • হাতে ক্রেতা আছেবসুন্ধরায় প্লট কিনতে চান
  • ক্রেতা যাচাইপ্লট দেখানোর আগে
  • আপনার নম্বরআমাদের কাছেই থাকে
এই পাতায় যা আছে (8টি অংশ)
  1. বসুন্ধরার প্লট বিক্রির দায়িত্ব কেন আমাদের দেবেন?
  2. বসুন্ধরায় জমির দাম কত? ব্লক ধরে কাঠাপ্রতি দাম (অক্টোবর 2026)
  3. কোন ব্লকে কী দেখে ক্রেতা দাম দেন
  4. বসুন্ধরার প্লট বিক্রির 4টি ধাপ
  5. বসুন্ধরার প্লটের কাগজ আর জটিল অবস্থা
  6. বিক্রেতার কর আর কোম্পানির ফি দিয়ে হাতে কত থাকবে
  7. 2025–2026-এ বসুন্ধরার প্লটে যা বদলেছে
  8. বসুন্ধরার প্লট বিক্রি নিয়ে প্রশ্ন

সংক্ষেপে: অক্টোবর 2026-এ বিক্রির জন্য থাকা 117টি প্লটে কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইসের মাঝামাঝি মান ব্লকভেদে 45 লাখ টাকা (পি এক্সটেনশন) থেকে 1.50 কোটি টাকা (জে ব্লক)। বসুন্ধরা বেসরকারি প্রকল্প, তাই রাজউকসহ সরকারি সংস্থার প্লট অনুমতি ছাড়া বিক্রির নভেম্বর 2025-এর প্রজ্ঞাপন এখানে খাটে না। জমি হাতবদল হয় সাফ কবলা দলিলে।

বসুন্ধরার প্লট বিক্রির দায়িত্ব কেন আমাদের দেবেন?

  • বসুন্ধরার প্লট কেনার মতো ক্রেতা হাতে আছে

    বসুন্ধরায় প্লট কিনতে চান, এমন ক্রেতা আমাদের কাছে আছেন। আপনার প্লটের খবর আমরা সরাসরি তাঁদের পাঠাই।

  • প্লট কেনাবেচায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা

    আমরা 2010 সাল থেকে প্লট কেনাবেচার কাজ করছি; সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই বসুন্ধরার প্লট বিক্রির দায়িত্ব নিই।

  • আগে ক্রেতা যাচাই, তারপর প্লট দেখানো

    যিনি প্লট দেখতে চান, তাঁকে আমরা আগে যাচাই করি। যাচাই না করে কাউকে আপনার প্লট দেখাই না, তাই অচেনা লোকের আনাগোনা আর অযথা সময় নষ্ট কম হয়।

  • আপনার ফোন নম্বর আমাদের কাছেই থাকে

    আপনার নম্বর আমরা কাউকে দিই না। বিজ্ঞাপনেও প্লট নম্বর বা রোড নম্বর থাকে না।

  • ব্লক মিলিয়ে দাম

    ব্লকভেদে কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস 45 লাখ থেকে 1.50 কোটি টাকা। ব্লক, সাইজ আর সামনের রাস্তা মিলিয়ে দাম নিয়ে কথা বলি; দাম ঠিক করেন আপনি।

বসুন্ধরায় জমির দাম কত? ব্লক ধরে কাঠাপ্রতি দাম (অক্টোবর 2026)

অক্টোবর 2026-এ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বিক্রির জন্য থাকা 117টি প্লটের আস্কিং প্রাইস, ব্লক ধরে। দাম কাঠাপ্রতি লাখ টাকায়।

বসুন্ধরায় কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইস, লাখ টাকায় (অক্টোবর 2026)
ব্লকপ্লটমাঝামাঝি দামমাঝের অর্ধেক প্লটের দামসর্বনিম্ন–সর্বোচ্চ
এ থেকে এইচ13130115–137115–220
আই8145138–156112–170
আই এক্সটেনশন10118107–12293–140
জে9150140–160135–170
কে8118110–12892–140
এল11130118–131100–150
এম12113103–13085–160
এন2011098–12182–140
এন এক্সটেনশন69588–9975–100
পি98683–9075–120
পি এক্সটেনশন114543–4937–65

একই ব্লকে দাম কেন কম-বেশি হয়

একই ব্লকে ছোট প্লটের কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইস সাধারণত কম (কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস, লাখ টাকায়):

ব্লক3–4 কাঠা5 কাঠা বা তার চেয়ে বড়
এ থেকে এইচ115137
কে110130
এল115130
এম95130
এন90118
পি8290
পি এক্সটেনশন4548

ব্লকভেদে কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি দাম 45 লাখ থেকে 1.50 কোটি টাকা, তাই ব্লক না জেনে বসুন্ধরার প্লটের দাম বলা যায় না।

আস্কিং প্রাইস আর বিক্রির দাম

ওপরের সব দাম বিক্রির জন্য থাকা প্লটের আস্কিং প্রাইস; দরদামে হাতবদলের দাম সাধারণত কমে আসে। কতটা কমবে, তা ঠিক করে সামনের রাস্তা, প্লটের অবস্থান, কাগজের অবস্থা, কোম্পানির ফি কে দেবেন আর বিক্রেতার তাড়া। নিজের ব্লকের হিসাব দেখতে ওপরের ফর্মে ব্লক আর সাইজ বাছুন।

কোন ব্লকে কী দেখে ক্রেতা দাম দেন

বসুন্ধরার সব ব্লক এক রকম নয়। কোন ব্লক কবে অনুমোদন পেয়েছে, কতটা গড়ে উঠেছে, আর হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় বা 300 ফিট রাস্তা কত কাছে, তা দিয়েই দামের বড় পার্থক্য হয়। প্রতিটি ভাগের সাথে কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস দেওয়া হলো।

এ থেকে এইচ ব্লক

কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: 130 লাখ টাকা (‘এ’ থেকে ‘এইচ’ ব্লক মিলিয়ে)
  • প্রকল্পের প্রথম নকশা অনুমোদন পায় 30 ডিসেম্বর 1987। ‘এ’ থেকে ‘এফ’ ব্লক (‘ডি’ ও ‘এফ’ আংশিক) সবচেয়ে পুরোনো; এগুলো 2004-এর আগেই অনুমোদন পায়।
  • এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা ‘ই’ ব্লকে; নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি আর ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি) এলাকার ভেতরে; ‘সি’ ব্লকে আছে এবেনেজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।
  • এখানে ক্রেতা গড়ে ওঠা পাড়া, হাসপাতাল-বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি থাকা আর ভাড়ার চাহিদা দেখেন।

আই, জে, কে ও এল ব্লক

কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: আই 145, জে 150, কে 118, এল 130 লাখ টাকা
  • ‘এফ’ থেকে ‘এল’ ব্লক “বারিধারা এক্সটেনশন” নামে 2006 সালে শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেলেও শর্ত পূরণ না হওয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়। 2014-এ মন্ত্রিসভা কমিটি বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) বদলে পূর্বাচল সংযোগ সড়কের পাশের খাল বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে ‘জি’ থেকে ‘এল’ ব্লক অনুমোদনের পথ খোলে। 31 জানুয়ারি 2016-এ ‘এ’ থেকে ‘এল’ ব্লকের (আই বাদে) সংশোধিত নকশা শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পায়; আই ব্লক অনুমোদন পায় দ্বিতীয় পর্বের সাথে।
  • জে ব্লকে 2026-এ নতুন আবাসিক প্রকল্পের নির্মাণ শুরু হয়েছে; এল ব্লকে আছে রেভেরি স্কুল।
  • জে আর আই ব্লকের মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস ‘এ’ থেকে ‘এইচ’ ব্লকের মিলিত মাঝামাঝি দামের চেয়েও বেশি।

এম, এন ও পি ব্লক

কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: এম 113, এন 110, পি 86 লাখ টাকা
  • প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্ব; এম, এন, পি ও আই ব্লকের চূড়ান্ত নকশা শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পায় 31 জানুয়ারি 2016-এ (প্রথম আলো, মে 2026)।
  • এন ব্লক পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের কাছে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের পাশে; স্পোর্টস সিটিতে 25,000 দর্শক ধারণক্ষমতার ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে।
  • এখানে কাঠাপ্রতি দাম তুলনামূলক কম, তাই একই টাকায় বড় প্লট কেনা যায়; ক্রেতারা রাস্তা, পানি-বিদ্যুৎ আর আশপাশে বাড়ি উঠেছে কি না, খুঁটিয়ে দেখেন।

আই, এন ও পি এক্সটেনশন

কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: আই এক্সটেনশন 118, এন এক্সটেনশন 95, পি এক্সটেনশন 45 লাখ টাকা
  • পি এক্সটেনশন বসুন্ধরার সবচেয়ে কম দামের অংশ; সেখানে কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইস জে ব্লকের তিন ভাগের এক ভাগেরও কম।
  • এখানে ক্রেতা আগে জানতে চান প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, সামনে রাস্তা তৈরি কি না, আর জমির দাগ কোন মৌজায় পড়েছে।

পুরো এলাকার জন্য যা খাটে

  • যাতায়াত: এলাকার পাশেই 300 ফিট রাস্তা (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে); কুড়িল ফ্লাইওভার চালু 2013 থেকে, আর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কয়েকটি র‍্যাম্প কুড়িলে। মাদানী অ্যাভিনিউ (100 ফুট রাস্তা) বসুন্ধরার 2 নম্বর গেটের পাশ দিয়ে গেছে।
  • মেট্রোরেল: এমআরটি লাইন-1-এর পূর্বাচল শাখায় নতুন বাজার, নদ্দা, জোয়ার সাহারা ও বোয়ালিয়াসহ স্টেশন থাকবে; লাইন-1-এর লক্ষ্য এখন 2033 (টিবিএস, 16 সেপ্টেম্বর 2026)। এটি এখনো তৈরি হয়নি।
  • সিটি করপোরেশন: মন্ত্রিসভা 7 মে 2026-এ বসুন্ধরাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। 8 অক্টোবর 2026 সংসদীয় কমিটির বৈঠকে রাজউক জানায়, এলাকাটি কাগজে-কলমে মূলত সিটি করপোরেশনের আওতাধীন; তবে সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো নেই বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।

বসুন্ধরার প্লট বিক্রির 4টি ধাপ

  1. ব্লক আর সাইজ জানানWhatsApp, ফোন বা এই পাতার ফর্মে ব্লক, সাইজ আর আপনার আশা করা দাম লিখুন। শুরুতে কোনো কাগজ পাঠাতে হয় না।
  2. দাম নিয়ে আলাপব্লকের আস্কিং প্রাইস আর প্লটের রাস্তা দেখে দাম নিয়ে কথা বলি; দাম ঠিক করেন আপনি।
  3. ক্রেতা যাচাই ও প্লট দেখানোআমাদের হাতে থাকা আগ্রহী ক্রেতাদের খবর দিই; যিনি দেখতে চান, তাঁকে যাচাই করে তবেই প্লট দেখাই।
  4. বায়না থেকে ই-নামজারিবায়নানামায় দাম, দলিল মূল্য আর কোম্পানির ফিসহ কোন খরচ কে দেবেন লেখা হয়। তারপর উৎসে কর জমা দিয়ে মৌজার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সাফ কবলা দলিল; এরপর ক্রেতা অনলাইনে ই-নামজারি করেন আর কোম্পানির রেকর্ডে নতুন মালিকের নাম ওঠে।

বসুন্ধরার প্লটের কাগজ আর জটিল অবস্থা

কাগজ: বসুন্ধরার প্লট বিক্রির মূল কাগজ কোম্পানির (ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট) বরাদ্দ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কাগজ, আপনার নামে রেজিস্ট্রি করা সাফ কবলা দলিল আর আগের সব দলিল (বায়া দলিল)। ক্রেতা চাইলে কোম্পানির সার্ভিস চার্জ বা অন্য বকেয়া না থাকার প্রমাণও দিতে হতে পারে।

  • কোম্পানির সাফ কবলা এখনো হয়নি: কোম্পানির শর্তাবলি অনুযায়ী পুরো টাকা শোধ, দখল আর রেজিস্ট্রি করা সাফ কবলার আগে কোম্পানির লিখিত সম্মতি ছাড়া প্লট হস্তান্তর বা বন্ধক রাখা যায় না।
  • ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া প্লট: ওয়ারিশরা অনলাইনে ই-নামজারি করেন। কোম্পানির শর্তাবলিতে মালিকানা বদলে “নির্ধারিত ফি”র কথা আছে, অঙ্কটি প্রকাশিত নয়; কোম্পানির রেকর্ডে নাম তুলতে কী লাগবে, অফিসে লিখিতভাবে জেনে নিন। বিক্রির দলিলে সব ওয়ারিশের সই লাগে।
  • বাড়ি করতে ডেভেলপারকে জমি দেওয়া আছে: বিক্রির আগে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে ডেভেলপারের সাথে চুক্তি ও আমমোক্তারনামার বিষয়টি মিটিয়ে নিন।
  • প্রবাসী মালিক: দেশে আসতে না পারলে দূতাবাসে সই করা আমমোক্তারনামা দেশে পাঠান; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রি শেষে আপনার মনোনীত প্রতিনিধি দলিল করতে পারবেন।

ব্যাংকে বন্ধক থাকা বা কাগজ হারানো প্লট, প্রবাস থেকে বিক্রির প্রতিটি ধাপ, প্রতারণা থেকে সাবধানতা আর সব কাগজের তালিকা একসাথে আছে আমাদের বিক্রেতার গাইডে।

বিক্রেতার কর আর কোম্পানির ফি দিয়ে হাতে কত থাকবে

আবাসিক প্লটে উৎসে কর হয় দলিল মূল্যের 5% অথবা শতকপ্রতি নির্দিষ্ট টাকা, যেটি বেশি। মৌজা ভাটারা, বাড্ডা বা খিলক্ষেত থানায় হলে শতকপ্রতি 1,50,000 টাকা; উৎসে কর বিধিমালা 2026-এ তিন থানা একই সারিতে। আপনার মৌজার থানা দলিলে মিলিয়ে নিন। কাঠাপ্রতি দলিল মূল্য প্রায় 49.5 লাখ টাকার বেশি হলে 5%-এর অঙ্কই বেশি হয়। সাইজ, বিক্রির দাম আর দলিল মূল্য বসিয়ে দেখুন (1 কাঠা প্রায় 1.65 শতক):

মৌজার থানা

ভাটারা, বাড্ডা বা খিলক্ষেত থানা (শতকপ্রতি 1,50,000 টাকা)

না দিলে 0 রাখুন
বিক্রেতার উৎসে কর
দলিল মূল্যের 5%
উৎসে কর (যেটি বেশি)
কোম্পানির ফি (আপনি দিলে)
বিক্রির দাম থেকে হাতে থাকবে

ক্রেতার খরচ জানলে দরদাম সহজ হয়

বসুন্ধরা বেসরকারি প্রকল্প, তাই রাজউকের হস্তান্তর ফি এখানে নেই। সরকারি খরচগুলো সাধারণত ক্রেতা দেন, আর ক্রেতা মোট কত খরচ ধরছেন, জানা থাকলে দাম নিয়ে কথা বলা সহজ হয়।

খরচহার
রেজিস্ট্রেশন ফি1%
স্ট্যাম্প শুল্ক1.5% (স্ট্যাম্প আইনের তফসিল)
স্থানীয় সরকার করসিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকায় 2%, ইউনিয়ন এলাকায় 3% (টিবিএস, জুন 2025)
ভ্যাটব্যক্তির জমি বিক্রি ও রেজিস্ট্রিতে নেই; ভূমি উন্নয়ন বা ভবন নির্মাণ সংস্থার বিক্রি এই অব্যাহতির বাইরে (অর্থ আইন 2026)

বিক্রেতার উৎসে কর এখন চূড়ান্ত কর নয়; বার্ষিক রিটার্নে সমন্বয় হয়, তাই কর উপদেষ্টার সাথে কথা বলুন (বিক্রেতার গাইড)। ওপরের হিসাবযন্ত্রে উৎসে কর আর আপনার বসানো কোম্পানির ফি ধরা হয়েছে; অন্য কোনো খরচ আপনি দিলে হাতে তত কম থাকবে।

জোয়ার সাহারা মৌজায় আবাসিক জমির সরকারি মৌজা মূল্য শতকপ্রতি 28.48 লাখ টাকা, অর্থাৎ কাঠাপ্রতি প্রায় 47 লাখ (টিবিএস, 23 অক্টোবর 2026); দলিল মূল্য এর নিচে লেখা যায় না। বসুন্ধরার সব প্লট এই মৌজায় নয়, তাই নিজের দলিলে মৌজা দেখে নিন।

2025–2026-এ বসুন্ধরার প্লটে যা বদলেছে

  • সিটি করপোরেশনের অধীনে: মন্ত্রিসভা 7 মে 2026-এ বসুন্ধরাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে আনার সিদ্ধান্ত নেয়; পরিকল্পনা অনুযায়ী মালিকেরা সরকার নির্ধারিত পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) দেবেন। অক্টোবর 2026-এর সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো নেই বলে আলোচনা হয়।
  • সরকারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট জমি: সর্বশেষ নকশার 3,404 একরের মধ্যে 74 একর “সরকারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট” জমি (প্রথম আলো, মে 2026); কোন ব্লকে তা খবরে বলা নেই। ক্রেতারা জানতে চাইবেন, তাই নিজের প্লটের দাগ মিলিয়ে রাখুন।
  • সারা দেশের জমির জন্য প্রযোজ্য পরিবর্তন, যেমন বায়নানামা দাখিলের সময় 30 থেকে 60 দিন, বিক্রেতার উৎসে কর চূড়ান্ত না থাকা আর বাজারমূল্যে রেজিস্ট্রির পরিকল্পনা, পাবেন বিক্রেতার গাইডে।

বসুন্ধরার প্লট বিক্রি নিয়ে প্রশ্ন

বসুন্ধরায় এক কাঠা জমির দাম কত?

দাম ব্লকভেদে অনেক আলাদা। অক্টোবর 2026-এ কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস জে ব্লকে 150 লাখ, আই ব্লকে 145 লাখ, এন ব্লকে 110 লাখ, পি ব্লকে 86 লাখ, আর পি এক্সটেনশনে 45 লাখ টাকা। বিক্রির দাম সাধারণত আস্কিং প্রাইসের চেয়ে কম হয়।

বসুন্ধরা এন ব্লকে জমির দাম কত?

অক্টোবর 2026-এ এন ব্লকে বিক্রির জন্য থাকা 20টি প্লটে কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস 110 লাখ টাকা; মাঝের অর্ধেক প্লটের দাম 98 থেকে 121 লাখের মধ্যে। 3–4 কাঠার প্লটে মাঝামাঝি 90 লাখ, 5 কাঠা বা বড় প্লটে 118 লাখ।

পি ব্লক আর পি এক্সটেনশনে প্লটের দাম কত?

অক্টোবর 2026-এ কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস পি ব্লকে 86 লাখ আর পি এক্সটেনশনে 45 লাখ টাকা। পি এক্সটেনশন বসুন্ধরার সবচেয়ে কম দামের অংশ।

বসুন্ধরায় ছোট প্লটের কাঠাপ্রতি দাম কি কম?

একই ব্লকে ছোট প্লটের কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইস কম। যেমন এন ব্লকে 3–4 কাঠায় মাঝামাঝি 90 লাখ, 5 কাঠা বা বড় প্লটে 118 লাখ; এম ব্লকে যথাক্রমে 95 আর 130 লাখ টাকা।

রাজউকের নভেম্বর 2025-এর নিয়ম কি বসুন্ধরায় খাটে?

না। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপন রাজউকসহ সরকারি সংস্থার প্লট ও ফ্ল্যাটের জন্য। বসুন্ধরা বেসরকারি প্রকল্প, জমি সাফ কবলায় হাতবদল হয়, আর রাজউকের হস্তান্তর ফিও এখানে নেই।

বসুন্ধরায় প্লট বিক্রি করলে বিক্রেতাকে কত কর (ট্যাক্স) দিতে হয়?

আবাসিক প্লটে উৎসে কর: দলিল মূল্যের 5% অথবা, মৌজা ভাটারা, বাড্ডা বা খিলক্ষেত থানায় হলে, শতকপ্রতি 1,50,000 টাকা (কাঠাপ্রতি প্রায় 2.48 লাখ), যেটি বেশি (উৎসে কর বিধিমালা 2026)। দলিলের আগে আলাদা ই-চালানে জমা দিতে হয়। এটি অগ্রিম আয়কর, বার্ষিক রিটার্নে সমন্বয় হয়। এই পাতার হিসাবযন্ত্রে নিজের অঙ্ক বসিয়ে দেখুন।

বসুন্ধরার প্লট বিক্রি করতে কী কী কাগজ লাগে?

কোম্পানির বরাদ্দ ও দখলের কাগজ, আপনার নামে রেজিস্ট্রি করা সাফ কবলা ও আগের দলিল, নামজারি খতিয়ান, ডিসিআর, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ, জাতীয় পরিচয়পত্র আর টিআইএন। দলিল আর বায়নানামা রেজিস্ট্রিতে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ (PSR) লাগে; কোন পক্ষের লাগবে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জেনে নিন।

বিক্রির পর কী করতে হয়?

ক্রেতা অনলাইনে ই-নামজারি করেন (মোট খরচ 1,170 টাকা)। কোম্পানির রেকর্ডে নতুন মালিকের নাম কীভাবে উঠবে, কোম্পানির অফিসে জেনে নিন।

ক্রেতা বা অন্য কেউ কি আমার ফোন নম্বর পাবেন?

না। আপনার নম্বর আমাদের কাছেই থাকে। যাচাই করা ক্রেতাকেই প্লট দেখাই, আর বিজ্ঞাপনে প্লট নম্বর দিই না।

আইন, কর ও খবরের সূত্র

28টি সূত্রের তালিকা দেখুন
  1. প্রথম আলো, 10 নভেম্বর 2025: সরকারি প্লট ও ফ্ল্যাট হস্তান্তরে অনুমতি লাগবে না
  2. প্রথম আলো, 21 মে 2026: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নকশা অনুমোদন ও সিটি করপোরেশন
  3. প্রথম আলো, 8 অক্টোবর 2026: সংসদীয় কমিটির বৈঠক
  4. দ্য ডেইলি স্টার, 9 অক্টোবর 2026: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা কে চালায়
  5. ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট: শর্তাবলি
  6. দ্য ডেইলি স্টার, 22 এপ্রিল 2009: বসুন্ধরার ব্লকের অনুমোদন
  7. দ্য ডেইলি স্টার, 4 জুন 2014: বন্যাপ্রবাহ এলাকা ও বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার পরিবর্তন
  8. টিবিএস, 6 ডিসেম্বর 2022: এন ব্লক, স্পোর্টস কমপ্লেক্সের পাশে
  9. টিবিএস, 14 জুন 2026: জে ব্লকে নতুন আবাসিক প্রকল্প
  10. ডেইলি অবজারভার, 1 জুন 2026: বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি
  11. দ্য ডেইলি স্টার, 24 জুন 2023: বসুন্ধরার ভেতরের বিশ্ববিদ্যালয়
  12. এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা: ঠিকানা
  13. রেভেরি স্কুল: ঠিকানা
  14. এবেনেজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল: ঠিকানা
  15. বণিক বার্তা, 24 এপ্রিল 2025: মাদানী অ্যাভিনিউ ও বসুন্ধরা 2 নম্বর গেট
  16. ঢাকা ট্রিবিউন, 4 আগস্ট 2013: কুড়িল ফ্লাইওভার উদ্বোধন
  17. দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, 31 আগস্ট 2023: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র‍্যাম্প
  18. টিবিএস, 16 সেপ্টেম্বর 2026: এমআরটি লাইন-1-এর স্টেশন ও সময়সীমা
  19. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: উৎসে কর বিধিমালা 2026, বিধি 6
  20. PwC বাংলাদেশ: অর্থ আইন 2026-এর প্রধান সংশোধন
  21. আয়কর আইন 2023, ধারা 264: রিটার্ন জমার প্রমাণ (PSR)
  22. রেজিস্ট্রেশন আইন, ধারা 17ক: বায়নানামা 60 দিনের মধ্যে (2026-এর সংশোধন)
  23. রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন 2026
  24. যুগান্তর, 18 আগস্ট 2026: ই-নামজারির খরচ 1,170 টাকা
  25. স্ট্যাম্প আইনের তফসিল (অর্থ আইন 2022), আইটেম 22: কবলা দলিলে 1.5%
  26. টিবিএস, 2 জুন 2025: রেজিস্ট্রেশন কর ও স্থানীয় সরকার কর
  27. অর্থ (2025-26 অর্থবছর) আইন 2026, ধারা 26: জমি ও ভবন বিক্রি ও নিবন্ধনে ভ্যাট অব্যাহতি
  28. টিবিএস, 23 অক্টোবর 2026: বাজারমূল্যে সম্পত্তি মূল্যায়নের পরিকল্পনা

সর্বশেষ যাচাই: 27 অক্টোবর 2026। এই পাতায় আইন, কর ও ফি নিয়ে যা লেখা আছে, তা সাধারণ তথ্য; আইনি বা কর পরামর্শ নয়। সরকার এগুলো বদলায়, তাই লেনদেনের আগে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, আইনজীবী ও কর উপদেষ্টার কাছে মিলিয়ে নিন। দামের সারণি বিক্রির জন্য থাকা প্লটের আস্কিং প্রাইস; এটি কোনো প্লটের মূল্যায়ন নয়।

বসুন্ধরার প্লট বিক্রির কথা ভাবছেন?

কোন ব্লক আর কত কাঠা, শুধু এটুকু জানালেই দাম নিয়ে কথা শুরু করা যায়। শনি থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল 10টা থেকে সন্ধ্যা 6টা (বাংলাদেশ সময়); শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বন্ধ।