এই পাতায় যা আছে (8টি অংশ)
- বসুন্ধরার প্লট বিক্রির দায়িত্ব কেন আমাদের দেবেন?
- বসুন্ধরায় জমির দাম কত? ব্লক ধরে কাঠাপ্রতি দাম (অক্টোবর 2026)
- কোন ব্লকে কী দেখে ক্রেতা দাম দেন
- বসুন্ধরার প্লট বিক্রির 4টি ধাপ
- বসুন্ধরার প্লটের কাগজ আর জটিল অবস্থা
- বিক্রেতার কর আর কোম্পানির ফি দিয়ে হাতে কত থাকবে
- 2025–2026-এ বসুন্ধরার প্লটে যা বদলেছে
- বসুন্ধরার প্লট বিক্রি নিয়ে প্রশ্ন
সংক্ষেপে: অক্টোবর 2026-এ বিক্রির জন্য থাকা 117টি প্লটে কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইসের মাঝামাঝি মান ব্লকভেদে 45 লাখ টাকা (পি এক্সটেনশন) থেকে 1.50 কোটি টাকা (জে ব্লক)। বসুন্ধরা বেসরকারি প্রকল্প, তাই রাজউকসহ সরকারি সংস্থার প্লট অনুমতি ছাড়া বিক্রির নভেম্বর 2025-এর প্রজ্ঞাপন এখানে খাটে না। জমি হাতবদল হয় সাফ কবলা দলিলে।
বসুন্ধরার প্লট বিক্রির দায়িত্ব কেন আমাদের দেবেন?
বসুন্ধরার প্লট কেনার মতো ক্রেতা হাতে আছে
বসুন্ধরায় প্লট কিনতে চান, এমন ক্রেতা আমাদের কাছে আছেন। আপনার প্লটের খবর আমরা সরাসরি তাঁদের পাঠাই।
প্লট কেনাবেচায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা
আমরা 2010 সাল থেকে প্লট কেনাবেচার কাজ করছি; সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই বসুন্ধরার প্লট বিক্রির দায়িত্ব নিই।
আগে ক্রেতা যাচাই, তারপর প্লট দেখানো
যিনি প্লট দেখতে চান, তাঁকে আমরা আগে যাচাই করি। যাচাই না করে কাউকে আপনার প্লট দেখাই না, তাই অচেনা লোকের আনাগোনা আর অযথা সময় নষ্ট কম হয়।
আপনার ফোন নম্বর আমাদের কাছেই থাকে
আপনার নম্বর আমরা কাউকে দিই না। বিজ্ঞাপনেও প্লট নম্বর বা রোড নম্বর থাকে না।
ব্লক মিলিয়ে দাম
ব্লকভেদে কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস 45 লাখ থেকে 1.50 কোটি টাকা। ব্লক, সাইজ আর সামনের রাস্তা মিলিয়ে দাম নিয়ে কথা বলি; দাম ঠিক করেন আপনি।
বসুন্ধরায় জমির দাম কত? ব্লক ধরে কাঠাপ্রতি দাম (অক্টোবর 2026)
অক্টোবর 2026-এ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বিক্রির জন্য থাকা 117টি প্লটের আস্কিং প্রাইস, ব্লক ধরে। দাম কাঠাপ্রতি লাখ টাকায়।
| ব্লক | প্লট | মাঝামাঝি দাম | মাঝের অর্ধেক প্লটের দাম | সর্বনিম্ন–সর্বোচ্চ |
|---|---|---|---|---|
| এ থেকে এইচ | 13 | 130 | 115–137 | 115–220 |
| আই | 8 | 145 | 138–156 | 112–170 |
| আই এক্সটেনশন | 10 | 118 | 107–122 | 93–140 |
| জে | 9 | 150 | 140–160 | 135–170 |
| কে | 8 | 118 | 110–128 | 92–140 |
| এল | 11 | 130 | 118–131 | 100–150 |
| এম | 12 | 113 | 103–130 | 85–160 |
| এন | 20 | 110 | 98–121 | 82–140 |
| এন এক্সটেনশন | 6 | 95 | 88–99 | 75–100 |
| পি | 9 | 86 | 83–90 | 75–120 |
| পি এক্সটেনশন | 11 | 45 | 43–49 | 37–65 |
একই ব্লকে দাম কেন কম-বেশি হয়
একই ব্লকে ছোট প্লটের কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইস সাধারণত কম (কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস, লাখ টাকায়):
| ব্লক | 3–4 কাঠা | 5 কাঠা বা তার চেয়ে বড় |
|---|---|---|
| এ থেকে এইচ | 115 | 137 |
| কে | 110 | 130 |
| এল | 115 | 130 |
| এম | 95 | 130 |
| এন | 90 | 118 |
| পি | 82 | 90 |
| পি এক্সটেনশন | 45 | 48 |
ব্লকভেদে কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি দাম 45 লাখ থেকে 1.50 কোটি টাকা, তাই ব্লক না জেনে বসুন্ধরার প্লটের দাম বলা যায় না।
আস্কিং প্রাইস আর বিক্রির দাম
ওপরের সব দাম বিক্রির জন্য থাকা প্লটের আস্কিং প্রাইস; দরদামে হাতবদলের দাম সাধারণত কমে আসে। কতটা কমবে, তা ঠিক করে সামনের রাস্তা, প্লটের অবস্থান, কাগজের অবস্থা, কোম্পানির ফি কে দেবেন আর বিক্রেতার তাড়া। নিজের ব্লকের হিসাব দেখতে ওপরের ফর্মে ব্লক আর সাইজ বাছুন।
কোন ব্লকে কী দেখে ক্রেতা দাম দেন
বসুন্ধরার সব ব্লক এক রকম নয়। কোন ব্লক কবে অনুমোদন পেয়েছে, কতটা গড়ে উঠেছে, আর হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় বা 300 ফিট রাস্তা কত কাছে, তা দিয়েই দামের বড় পার্থক্য হয়। প্রতিটি ভাগের সাথে কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস দেওয়া হলো।
এ থেকে এইচ ব্লক
কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: 130 লাখ টাকা (‘এ’ থেকে ‘এইচ’ ব্লক মিলিয়ে)
- প্রকল্পের প্রথম নকশা অনুমোদন পায় 30 ডিসেম্বর 1987। ‘এ’ থেকে ‘এফ’ ব্লক (‘ডি’ ও ‘এফ’ আংশিক) সবচেয়ে পুরোনো; এগুলো 2004-এর আগেই অনুমোদন পায়।
- এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা ‘ই’ ব্লকে; নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি আর ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি) এলাকার ভেতরে; ‘সি’ ব্লকে আছে এবেনেজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।
- এখানে ক্রেতা গড়ে ওঠা পাড়া, হাসপাতাল-বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি থাকা আর ভাড়ার চাহিদা দেখেন।
আই, জে, কে ও এল ব্লক
কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: আই 145, জে 150, কে 118, এল 130 লাখ টাকা
- ‘এফ’ থেকে ‘এল’ ব্লক “বারিধারা এক্সটেনশন” নামে 2006 সালে শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেলেও শর্ত পূরণ না হওয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়। 2014-এ মন্ত্রিসভা কমিটি বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) বদলে পূর্বাচল সংযোগ সড়কের পাশের খাল বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে ‘জি’ থেকে ‘এল’ ব্লক অনুমোদনের পথ খোলে। 31 জানুয়ারি 2016-এ ‘এ’ থেকে ‘এল’ ব্লকের (আই বাদে) সংশোধিত নকশা শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পায়; আই ব্লক অনুমোদন পায় দ্বিতীয় পর্বের সাথে।
- জে ব্লকে 2026-এ নতুন আবাসিক প্রকল্পের নির্মাণ শুরু হয়েছে; এল ব্লকে আছে রেভেরি স্কুল।
- জে আর আই ব্লকের মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস ‘এ’ থেকে ‘এইচ’ ব্লকের মিলিত মাঝামাঝি দামের চেয়েও বেশি।
এম, এন ও পি ব্লক
কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: এম 113, এন 110, পি 86 লাখ টাকা
- প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্ব; এম, এন, পি ও আই ব্লকের চূড়ান্ত নকশা শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পায় 31 জানুয়ারি 2016-এ (প্রথম আলো, মে 2026)।
- এন ব্লক পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের কাছে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের পাশে; স্পোর্টস সিটিতে 25,000 দর্শক ধারণক্ষমতার ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে।
- এখানে কাঠাপ্রতি দাম তুলনামূলক কম, তাই একই টাকায় বড় প্লট কেনা যায়; ক্রেতারা রাস্তা, পানি-বিদ্যুৎ আর আশপাশে বাড়ি উঠেছে কি না, খুঁটিয়ে দেখেন।
আই, এন ও পি এক্সটেনশন
কাঠাপ্রতি মাঝামাঝি আস্কিং প্রাইস: আই এক্সটেনশন 118, এন এক্সটেনশন 95, পি এক্সটেনশন 45 লাখ টাকা
- পি এক্সটেনশন বসুন্ধরার সবচেয়ে কম দামের অংশ; সেখানে কাঠাপ্রতি আস্কিং প্রাইস জে ব্লকের তিন ভাগের এক ভাগেরও কম।
- এখানে ক্রেতা আগে জানতে চান প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, সামনে রাস্তা তৈরি কি না, আর জমির দাগ কোন মৌজায় পড়েছে।
পুরো এলাকার জন্য যা খাটে
- যাতায়াত: এলাকার পাশেই 300 ফিট রাস্তা (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে); কুড়িল ফ্লাইওভার চালু 2013 থেকে, আর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কয়েকটি র্যাম্প কুড়িলে। মাদানী অ্যাভিনিউ (100 ফুট রাস্তা) বসুন্ধরার 2 নম্বর গেটের পাশ দিয়ে গেছে।
- মেট্রোরেল: এমআরটি লাইন-1-এর পূর্বাচল শাখায় নতুন বাজার, নদ্দা, জোয়ার সাহারা ও বোয়ালিয়াসহ স্টেশন থাকবে; লাইন-1-এর লক্ষ্য এখন 2033 (টিবিএস, 16 সেপ্টেম্বর 2026)। এটি এখনো তৈরি হয়নি।
- সিটি করপোরেশন: মন্ত্রিসভা 7 মে 2026-এ বসুন্ধরাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। 8 অক্টোবর 2026 সংসদীয় কমিটির বৈঠকে রাজউক জানায়, এলাকাটি কাগজে-কলমে মূলত সিটি করপোরেশনের আওতাধীন; তবে সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো নেই বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বসুন্ধরার প্লট বিক্রির 4টি ধাপ
- ব্লক আর সাইজ জানানWhatsApp, ফোন বা এই পাতার ফর্মে ব্লক, সাইজ আর আপনার আশা করা দাম লিখুন। শুরুতে কোনো কাগজ পাঠাতে হয় না।
- দাম নিয়ে আলাপব্লকের আস্কিং প্রাইস আর প্লটের রাস্তা দেখে দাম নিয়ে কথা বলি; দাম ঠিক করেন আপনি।
- ক্রেতা যাচাই ও প্লট দেখানোআমাদের হাতে থাকা আগ্রহী ক্রেতাদের খবর দিই; যিনি দেখতে চান, তাঁকে যাচাই করে তবেই প্লট দেখাই।
- বায়না থেকে ই-নামজারিবায়নানামায় দাম, দলিল মূল্য আর কোম্পানির ফিসহ কোন খরচ কে দেবেন লেখা হয়। তারপর উৎসে কর জমা দিয়ে মৌজার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সাফ কবলা দলিল; এরপর ক্রেতা অনলাইনে ই-নামজারি করেন আর কোম্পানির রেকর্ডে নতুন মালিকের নাম ওঠে।
বসুন্ধরার প্লটের কাগজ আর জটিল অবস্থা
কাগজ: বসুন্ধরার প্লট বিক্রির মূল কাগজ কোম্পানির (ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট) বরাদ্দ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কাগজ, আপনার নামে রেজিস্ট্রি করা সাফ কবলা দলিল আর আগের সব দলিল (বায়া দলিল)। ক্রেতা চাইলে কোম্পানির সার্ভিস চার্জ বা অন্য বকেয়া না থাকার প্রমাণও দিতে হতে পারে।
- কোম্পানির সাফ কবলা এখনো হয়নি: কোম্পানির শর্তাবলি অনুযায়ী পুরো টাকা শোধ, দখল আর রেজিস্ট্রি করা সাফ কবলার আগে কোম্পানির লিখিত সম্মতি ছাড়া প্লট হস্তান্তর বা বন্ধক রাখা যায় না।
- ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া প্লট: ওয়ারিশরা অনলাইনে ই-নামজারি করেন। কোম্পানির শর্তাবলিতে মালিকানা বদলে “নির্ধারিত ফি”র কথা আছে, অঙ্কটি প্রকাশিত নয়; কোম্পানির রেকর্ডে নাম তুলতে কী লাগবে, অফিসে লিখিতভাবে জেনে নিন। বিক্রির দলিলে সব ওয়ারিশের সই লাগে।
- বাড়ি করতে ডেভেলপারকে জমি দেওয়া আছে: বিক্রির আগে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে ডেভেলপারের সাথে চুক্তি ও আমমোক্তারনামার বিষয়টি মিটিয়ে নিন।
- প্রবাসী মালিক: দেশে আসতে না পারলে দূতাবাসে সই করা আমমোক্তারনামা দেশে পাঠান; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রি শেষে আপনার মনোনীত প্রতিনিধি দলিল করতে পারবেন।
ব্যাংকে বন্ধক থাকা বা কাগজ হারানো প্লট, প্রবাস থেকে বিক্রির প্রতিটি ধাপ, প্রতারণা থেকে সাবধানতা আর সব কাগজের তালিকা একসাথে আছে আমাদের বিক্রেতার গাইডে।
বিক্রেতার কর আর কোম্পানির ফি দিয়ে হাতে কত থাকবে
আবাসিক প্লটে উৎসে কর হয় দলিল মূল্যের 5% অথবা শতকপ্রতি নির্দিষ্ট টাকা, যেটি বেশি। মৌজা ভাটারা, বাড্ডা বা খিলক্ষেত থানায় হলে শতকপ্রতি 1,50,000 টাকা; উৎসে কর বিধিমালা 2026-এ তিন থানা একই সারিতে। আপনার মৌজার থানা দলিলে মিলিয়ে নিন। কাঠাপ্রতি দলিল মূল্য প্রায় 49.5 লাখ টাকার বেশি হলে 5%-এর অঙ্কই বেশি হয়। সাইজ, বিক্রির দাম আর দলিল মূল্য বসিয়ে দেখুন (1 কাঠা প্রায় 1.65 শতক):
ক্রেতার খরচ জানলে দরদাম সহজ হয়
বসুন্ধরা বেসরকারি প্রকল্প, তাই রাজউকের হস্তান্তর ফি এখানে নেই। সরকারি খরচগুলো সাধারণত ক্রেতা দেন, আর ক্রেতা মোট কত খরচ ধরছেন, জানা থাকলে দাম নিয়ে কথা বলা সহজ হয়।
| খরচ | হার |
|---|---|
| রেজিস্ট্রেশন ফি | 1% |
| স্ট্যাম্প শুল্ক | 1.5% (স্ট্যাম্প আইনের তফসিল) |
| স্থানীয় সরকার কর | সিটি করপোরেশন ও পৌর এলাকায় 2%, ইউনিয়ন এলাকায় 3% (টিবিএস, জুন 2025) |
| ভ্যাট | ব্যক্তির জমি বিক্রি ও রেজিস্ট্রিতে নেই; ভূমি উন্নয়ন বা ভবন নির্মাণ সংস্থার বিক্রি এই অব্যাহতির বাইরে (অর্থ আইন 2026) |
বিক্রেতার উৎসে কর এখন চূড়ান্ত কর নয়; বার্ষিক রিটার্নে সমন্বয় হয়, তাই কর উপদেষ্টার সাথে কথা বলুন (বিক্রেতার গাইড)। ওপরের হিসাবযন্ত্রে উৎসে কর আর আপনার বসানো কোম্পানির ফি ধরা হয়েছে; অন্য কোনো খরচ আপনি দিলে হাতে তত কম থাকবে।
জোয়ার সাহারা মৌজায় আবাসিক জমির সরকারি মৌজা মূল্য শতকপ্রতি 28.48 লাখ টাকা, অর্থাৎ কাঠাপ্রতি প্রায় 47 লাখ (টিবিএস, 23 অক্টোবর 2026); দলিল মূল্য এর নিচে লেখা যায় না। বসুন্ধরার সব প্লট এই মৌজায় নয়, তাই নিজের দলিলে মৌজা দেখে নিন।
2025–2026-এ বসুন্ধরার প্লটে যা বদলেছে
- সিটি করপোরেশনের অধীনে: মন্ত্রিসভা 7 মে 2026-এ বসুন্ধরাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে আনার সিদ্ধান্ত নেয়; পরিকল্পনা অনুযায়ী মালিকেরা সরকার নির্ধারিত পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) দেবেন। অক্টোবর 2026-এর সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখনো নেই বলে আলোচনা হয়।
- সরকারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট জমি: সর্বশেষ নকশার 3,404 একরের মধ্যে 74 একর “সরকারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট” জমি (প্রথম আলো, মে 2026); কোন ব্লকে তা খবরে বলা নেই। ক্রেতারা জানতে চাইবেন, তাই নিজের প্লটের দাগ মিলিয়ে রাখুন।
- সারা দেশের জমির জন্য প্রযোজ্য পরিবর্তন, যেমন বায়নানামা দাখিলের সময় 30 থেকে 60 দিন, বিক্রেতার উৎসে কর চূড়ান্ত না থাকা আর বাজারমূল্যে রেজিস্ট্রির পরিকল্পনা, পাবেন বিক্রেতার গাইডে।